পাকিস্তানের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীদের হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। হামলার ঘটনায় আরো অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তিন ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ে চার হামলাকারীর সবাই নিহত হয়েছে। খবর- বিবিসির।
বুধবার সকালে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার সময় স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও বোমা নিয়ে হামলা শুরু হয়। ক্লাস রুমে ঢুকে ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে হামলাকারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তখন একটি কবিতা উৎসবও চলছিল।
তেহরিক-ই-তালেবানের একজন কমান্ডার এএফপির কাছে হামলার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, চারজন আত্মঘাতী এই হামলা পরিচালনা করে। তবে তালেবানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিরপেক্ষ সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ নিয়ে পরস্পরবিরোধী খবর প্রকাশ করা হয়েছে দেশটির গণমাধ্যমগুলোতে।
প্রাদেশিক একজন মন্ত্রীর বরাত দিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩০ বলে জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তিনি নিজে ৫০টি মৃতদেহ গুনেছেন। হামলাকারীরা ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বেশিরভাগ আহতদেরই মাথা ও বুকে গুলি লেগেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় অনেককেই পেশোয়ারে লেডি রিডিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে পেশোয়ারে সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি স্কুলে তালেবান জঙ্গিরা ১৩০ জন স্কুল শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছিল। ১৪ মাস আগের ওই হামলার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার সাদৃশ্য রয়েছ।
