প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানবসম্পদের প্রশিক্ষণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবেশ, জলবায়ু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে তার সুফল পেতে হলে দেশের মানবসম্পদকে যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত করে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমেই একজন নির্বাহী এবং কর্মীর মনোবল, দক্ষতা তথা সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব, যা মানবসম্পদ উন্নয়নের চাবিকাঠি।
প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ‘বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সমিতি’দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সরকার জনপ্রশাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়টিকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দিয়ে জনপ্রশাসন নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, সিভিল সার্ভিসকে একটি সেবাধর্মী এবং আধুনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন লক্ষ্যমুখী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের সময়োচিত পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ মানবসম্পদ উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে লক্ষণীয় উন্নতি সাধন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সমিতি মানবসম্পদ উন্নয়ন ও এর বহুমুখী ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে একবিংশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অর্থবহ ভূমিকা রাখবে। সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবে।
তিনি বাংলাদেশ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সমিতির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ২০তম জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
