অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্য আর মন পুড়ে না ব্র্যাড পিটের, আবার পিটের জন্য মন কেমন করে না জোলিরও! আর তাই হলিউডের এই ‘পাওয়ার কাপল’ দাম্পত্যে ইতি টানতে যাচ্ছেন! অবশ্য দু’জনের তরফ থেকে কোনও বিবৃতি এখনও আসেনি। সূত্র- টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ই-অনলাইন।
গত বছরের শেষ নাগাদ ব্র্যাড-জোলির বিচ্ছেদ নিয়ে নানা রকম গুঞ্জন উঠে। মিডিয়ার খবরে বলা হয়, প্রায়শই আলাদা থাকছেন দু’জন।
গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড শো’তে ব্র্যাড একাই এসেছিলেন। রে়ড কার্পেটে দেখা যায়নি অ্যাঞ্জিকে। আবার অভিনেত্রীর পরবর্তী ছবি ‘কুংফু পান্ডা থ্রি’র প্রিমিয়ারেও অনুপস্থিত ব্র্যাড। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে।
হলিউড রিপোর্টার বলছে, দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার অনেক কারণ। অ্যাঞ্জির অতীত, তার যন্ত্রণা, অবসাদ, এসব নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতেন ব্র্যাড। অ্যাঞ্জির আবার ইটিং ডিসঅর্ডারও রয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের বিভিন্ন গসিপ কলামে আলোচনা, ক্রমাগত ওজনে ঘাটতি হতে থাকায় অ্যাঞ্জিকে রিহ্যাবে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন ব্র্যাড। অ্যাঞ্জি তাতে সম্মত না হলে ব্র্যাড ‘আল্টিমেটাম’ দিয়েছিলেন, যে বাচ্চাদের নিয়ে তিনি আলাদা হয়ে যাবেন।
সূত্র আরও বলছে, দু’জনেরই ঘনিষ্ঠ জনরা বলছেন, ডিভোর্স নিয়ে ‘নেগোসিয়েশন’ নাকি বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে ব্র্যাঞ্জেলিনার মধ্যে। আবার সকলকে বিভ্রান্ত করে অ্যাঞ্জেলিনাই বলেছিলেন, ‘ব্র্যাডের সঙ্গে ঝগড়া করতে আমার ভালই লাগে! এতে সম্পর্ক মজবুত হয়।’ কিন্তু নিজের ছবির কাজ, জাতিসংঘের মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্ব, বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর ব্র্যাডকে দেওয়ার মতো অবসরই থাকত না অ্যাঞ্জির। আর এই নিয়ে বেশি ক্ষেপেছেন ব্র্যাড।
২০০৫ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ মুভিতে জুটি বেঁধে কাজ করতে গিয়ে প্রেম, আর তারপর ২০১৪ সালে বিয়ে দু’জনের।
ছয় সন্তান তাদের। ছেলে প্যাক্সের জন্মভূমি ভিয়েতনামে গত ডিসেম্বরেই গিয়েছিলেন ব্র্যাঞ্জেলিনা। সেখানেও নাকি সারাক্ষণ ঝগড়া করতেন তারা।
