যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে ভয়াবহ তুষার ঝড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি দুর্ঘটনা, কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়া ও বরফ সরানোর কাজ করতে গিয়ে হার্ট এটাকে এরা মারা গেছেন।
তুষার ঝড় শেষ হওয়ার পর জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করতে ব্যাপক বেগ পেতে হচ্ছে লাখ লাখ মানুষকে। রাজধানী ওয়াশিংটনসহ দেশটির পূর্বাঞ্চলের অনেকগুলো শহর এখনো রীতিমত স্থবির হয়ে রয়েছে।
ওয়াশিংটনের বিভিন্ন সরকারি ভবন ও স্কুল সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবারও বন্ধ রাখা হয়েছে। দেশটির অনেকগুলো রাজ্যে পরিবহন ব্যবস্থা এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। বিঘ্নিত হচ্ছে বিমান ওঠা নামাও।
IMG0
যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি রাজ্যে প্রায় তিন ফুট উঁচু তুষারপাত হয়েছে। এসব রাজ্যের অধিকাংশ বাসিন্দাই বরফের নিচে চাপা পড়া গাড়ি খুড়ে বের করতে রবিবার দিনটি ব্যয় করেছেন।
স্থানীয়ভাবে 'স্নোমাগেডন' ও 'স্নোজিলা' নামে পরিচিতি পাওয়া ঝড়টি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে দুর্বল হয়ে এখন আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থান করছে। এতে প্রায় সাড়ে আট কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে তিন লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
সবচেয়ে ভারি তুষারপাত হয়েছে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্লেনগারিতে। সেখানে ৪২ ইঞ্চি তুষারপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
