ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের বহুল আলোচিত ফারুক আহমেদ ওরফে হুন্ডি কাজলকে ৩ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত।
দীর্ঘদিন মামলা চলার পর সোমবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট -২ এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। এ মামলায় অপর ৯৭ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাদের খালাস দেন। বর্তমানে কাজল পলাতক রয়েছে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ২ ডিসেম্বর সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার দুলাল উদ্দিন আখন্দ হুন্ডি কাজল ও তার এজেন্ট ১৪০ জনের বিরুদ্ধে কোটচাঁদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৯৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
১৯৯০ সালের পর থেকে কোটচাঁদপুরের ফারুক আহমেদ কাজল অস্বাভাবিক মুনাফা প্রদানের লোভ দেখিয়ে প্রতারণামূলকভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এ কাজে তার কয়েক’শ এজেন্ট সহায়তা করে। ২০০০ সালে জুনে কাজলের ব্যবসার পতন ঘটে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়। তখন দেশব্যাপী কাজলকে নিয়ে আড়োলন সৃষ্টি হয়। কাজলের কাছে হাজার হাজার লগ্নিকারীরা টাকা ফেরতের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। এ নিয়ে খুনের ঘটনাও ঘটে।
