সাংবাদিকদের মেয়র ডুডু বলেন, আমরা ১৬ বছর বয়সী কিশোরী শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে তাদেরকে কুমারীত্ব বজায় রাখতে হবে। অল্প বয়স্ক তরুণীদের মধ্যে “এইচআইভি, এইডস এবং অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ” হ্রাসের উদ্দেশ্যে আমরা এই স্কিম চালু করেছি। যারা এ বৃত্তি গ্রহণ করবে তাদেরকে নিয়মিত কুমারীত্ব পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কিশোরীরা এ ধরনের পরীক্ষা দিতে স্বাচ্ছন্দবোধ করবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, আমার নাতনী এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে ইচ্ছুক। সুতরা অন্যদের সমস্যা হবে বলে মনে করেন না তিনি। মানবাধিকারকর্মীরা এ পদক্ষেপের ব্যাপক নিন্দা জানিয়েছেন। পিপল অপোজিং ওমেন এ্যাবিউজ (পিওডব্লিউএ) এর এক মুখপাত্র বলেন, এ শর্তযুক্ত বৃত্তি ‘ মানবাধিকারের লঙ্ঘণ এবং বালিকাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার শামিল। ঐ মুখপাত্র জানান ‘কুমারীত্ব পরীক্ষার মাধ্যমে এইচআইভি এবং এইডসের সম্প্রসারণ বন্ধ করা যাবে না। দেশটির ৬৩ লাখ মানুষ এইচআইভি পজিটিভ। প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তার মধ্যে কাওয়াজুলু-নাটাল দেশটির সবচেয়ে বেশি এইচআইভি আক্রান্ত একটি প্রদেশ।
