দুর্নীতিতে ১৩ নম্বরে বাংলাদেশ: টিআই

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৬, ১৬:৫৭
 
গত এক বছরের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের ‘দুর্নীতিচিত্রে’ তেমন কোনো হেরফের দেখতে পায়নি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। বার্লিনভিত্তিক এই দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার প্রকাশিত ‘দুর্নীতির ধারণাসূচকে’ (সিপিআই) এ বছর বাংলাদেশের অবস্থানের অবনমন ঘটেছে এক ধাপ, তবে স্কোর গতবারের সমানই।
 
বিশ্বের ১৬৮টি দেশ ও অঞ্চলে ২০১৫ সালের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা এই সূচকে ২৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী (ভাল থেকে খারাপ) ১৩৯ নম্বরে। আর উল্টোভাবে হিসেব করলে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় এবার বাংলাদেশ রয়েছে ত্রয়োদশ স্থানে।
 
আগের বছর ১৭৫টি দেশ ও অঞ্চলের তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত এই সূচকে একই স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী (ভাল থেকে খারাপ) ছিল ১৪৫ নম্বরে। আর উল্টোভাবে হিসেব করলে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় ছিল চতুর্দশ অবস্থানে।
 
১০০ ভিত্তির এই সূচকে শূন্য স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং ১০০ স্কোরকে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত বা সর্বোচ্চ সুশাসনের দেশ হিসাবে বিবেচনা করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। আগে দেশভিত্তিক সূচকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরা হলেও ২০১২ সাল থেকে ১০০ ভিত্তির এই সূচক প্রকাশ করা হচ্ছে। 
 
পুরনো প্রতিবেদনগুলো থেকে দেখা যায়- ২০১৩ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৭, তার আগের বছর ছিল ২৬।
 
বুধবার বার্লিন থেকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মূল প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি ঢাকার ধানমন্ডিতে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।