রাজধানীর আজিমপুর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা শুরু হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া মেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মালেক মৃধা এবং আজিমপুর গার্লস স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাসিমা বানু।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই ) প্রোগ্রামের সহায়তায় এবং জেলা প্রশাসন ঢাকার উদ্যোগে প্রতিবারের ন্যায় এবারো উদযাপিত হচ্ছে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ২০১৬। মেলার প্রথমদিনে ৮টি সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহণ করে। মেলার শুরু থেকেই প্রত্যেকটি স্টলে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান, মুক্তপাঠ, বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম, শিক্ষক বাতায়ন, সহজ গণিতের উপকরণে নিয়ে মেলায় স্টল সাজায় ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গভঃ ল্যবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিসিএসআইআর স্কুল, ধানমন্ডি গভ. বয়েজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অগ্রণী স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। কৃষি, মৎস্য, স্বাস্থ্য, আইনশৃংখলা, প্রাথমিক শিক্ষা, মহিলাবিষয়কসহ নানাবিধ ডিজিটাল উদ্ভাবনী সেবা নিয়ে হাজির হয় জেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন গ্রিন সেভার্স নগর কৃষি নিয়ে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করে। পাশাপাশি ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।
IMG0
প্রায় ৫০-৬০টি স্টলে ডিজিটাল ও অনলাইন সেবা প্রদান করতে দেখা গেছে।উপজেলা প্রশাসনের অফিসগুলোর উইপস্থিতিতে বিভিন্ন উদ্ভাবনী ও ডিজিটাল সেবা দেয়া হয়। অফিসগুলো সহজ ডট কম, বিক্রয় ডট কম, রকমারি ডট কম, বাসবিডি ও লঞ্চবিডি ডট কম, সুন্দরবন ডিজিটাল এক্সপ্রেস, ঝাক্কাস ডট কম, সোনার কুরিয়ার লি., চালডাল ডট কমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো হাজির হয় তাদের অনলাইন ব্যাবসা ও ক্রয় বিক্রয় সেবা নিয়ে। মেলার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট, ঢাকা পলিটেকনিকসহ দেশের সেরা প্রায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী উদ্ভাবক ও তরুণ বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত বিভিন্ন উদ্ভাবণী প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি। বৃহস্পতিবার মেলার দ্বিতীয়দিনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার প্রদান করা হবে।
এ মেলার মাধ্যমে জনগণ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে আরো বেশি আগ্রহী হবে এবং সরকারি বেসরকারি অনলাইন ও ইনোভেটিভ সেবা নিয়ে ধারণা তৈরি হবে।
