বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, ‘দেশের বন্ধ সরকারি বস্ত্রকলগুলো বিক্রি করা হবে না, বরং লিজ দেয়া হবে। বস্ত্রকল মালিকরা চাইলে তাদের মাঝে প্লট আকারে ভাগ করে দেয়া হবে।’ এজন্য প্রকল্প জমা দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্ট মেশিনারি এক্সিবিশন ২০১৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও তাইওয়ানের চান চাও ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। চারদিনব্যাপী প্রদর্শনী প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
মির্জা আজম বলেন, এক সময় বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়া সরকারি বস্ত্রকলের মধ্যে ৭০টি মত বস্ত্রকল বন্ধ হয়ে গেছে। বেসরকারি খাতে দেয়ার সময় যেসব শর্ত দেয়া হয়েছিল সেসব শর্ত ভঙ্গকারীদের থেকে বস্ত্রকল আবার ফিরিয়ে আনা হবে। এসব বস্ত্রকল প্রতিটি ৫০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ব্যবসায়ীরা চাইলে ছোট ছোট প্লটে এগুলো ব্যবসায়ীদের লিজ দেয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকা, টাঙ্গাইল ও নারায়ণগঞ্জের আশপাশে প্রকল্প করতে চাইলে সরকার সহযোগিতা করবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, বস্ত্র ও পাটশিল্প এগিয়ে চলছে। এ খাত থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচ হাজার কোটি ডলার রফতানি আয়ের আয়ের উদ্দেশ্যে কাজ করতে হবে। বর্তমানে দেশের এ খাতে ১৩ হাজার বিদেশি নাগরিক কাজ করছেন। তারা যে বেতন পান তা দিয়ে তিন লাখ শ্রমিকের বেতন দেয়া সম্ভব। দক্ষ জনবল তৈরি করতে দেশের বড় জেলাগুলোয় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করা হবে। আর প্রত্যেক জেলায় ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে ভোকেশনাল কলেজ ও ইনস্টিটিউশন স্থাপন করা হবে। এরই মধ্যে ৯টি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কাজ চলছে।
