সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের অনুপস্থিতিতে জাতীয় পার্টির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে অনুমোদন দিয়েছে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা।
রবিবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত দলের চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাপার সভাপতিমণ্ডলীর এই বৈঠক হয়। এরশাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা কো-চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে অনুমোদন দেন।
সভাপতিমণ্ডলীর সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলন হয়। এতে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, জি এম কাদেরসহ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, সভায় জাপার ৩৪ জন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের মধ্যে ২৪ জন উপস্থিত ছিলেন। তারা নতুন কো-চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আগামী ১৬ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পার্টির জাতীয় সম্মেলন হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলাভিত্তিক মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। এরপর জেলা ও উপজেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে ঢাকায় সভা করা হবে।
রওশন এরশাদ ও দলের মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির কারণ কী জানতে চাইলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘৩৪ জন সদস্যের মধ্যে ২৪ জন এসেছেন। রওশন এরশাদের নিজস্ব কর্মসূচি থাকায় তিনি আসতে পারেননি। অনেকে বিভিন্ন কারণে আসতে পারেননি। এতে বিভেদ বোঝায় না। এরশাদ যেদিকে আছেন, দলও সেদিকে আছে।
তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা সরকার থেকে বেরিয়ে আসার পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এ দলের চেয়ারম্যান যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’
জাতীয় পার্টির একজন সংসদ সদস্য কিশোরগঞ্জে বলেছেন, সরকারে থেকে জাতীয় পার্টি সুসংগঠিত হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে জি এম কাদের বলেন, ‘এটা তার ব্যক্তিগত মত। জাতীয় পার্টির মূল শক্তি হচ্ছে জনগণ।
