‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৬’ শুরু হচ্ছে সোমবার। বিকাল তিনটায় বাংলা একাডেমি চত্ত্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মেলার উদ্বোধন করবেন।
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন। সভাপতিত্ব করবেন এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।
বইমেলায় টিএসসি, দোয়েল চত্ত্বর দিয়ে দুটো মূল প্রবেশ পথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বাইরের আটটি পথ থাকবে। এবারই প্রথম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের সুবিধার্থে একটি নতুন সুপ্রশস্ত গেট নির্মাণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৫’ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং সৈয়দ শামসুল হক রচিত ও বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধুর বীরগাথা’ বইয়ের ব্রেইল ও অডিও সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত আধুনিক বাংলা অভিধান তুলে দেয়া হবে।
এবারের গ্রন্থমেলার মূল থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বাংলা একাডেমির হীরকজয়ন্তী’। ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসের আদলে মেলায় বাংলা একাডেমির প্যাভিলিয়ান নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রায় দ্বিগুণ পরিসর নিয়ে এবারের মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এবছর বাংলা একাডেমি ও একাডেমি সম্মুখস্থ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ৪ লাখ ৭৮ হাজার বর্গফুট এলাকা নিয়ে বইমেলার স্টল বিন্যাস করা হয়েছে। গতবছর এই আয়তন ছিল প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার বর্গফুট।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশকে ১৫টি গুচ্ছে সজ্জিত করা হয়েছে। চত্ত্বরগুলো নামাঙ্কিত থাকবে ভাষাশহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, শফিউর রহমান, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার, শহিদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আলতাফ মাহমুদ, সিরাজুদ্দীন হোসেন, ডা. আলীম চৌধুরী, সেলিনা পারভীন, শিশুসাহিত্যিক সাজেদুল করিম, হাবীবুর রহমান, ফয়েজ আহমদ এবং রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই’র নামে।
বইমেলা ১ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত আটটা এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
