সৌদি আরবের সীমান্ত এলাকার শহর ও গ্রামগুলো লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে ছোঁড়া মর্টার ও রকেটের আঘাতে ৩৭৫ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৬৩ শিশুও রয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছে রিয়াদ।
২০১৫ সালের মার্চের শেষ দিকে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব জড়িয়ে পড়ার পর থেকে এসব হামলা চালানো হয়। নিহত এসব মানুষের মধ্যে সৌদি নাগরিক ছাড়াও বিদেশিরা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। হামলায় ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ও তাদের মিত্র দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট আলি আব্দুল্লাহ সালেহর অনুগত সেনারা ৪০ হাজারেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র বা গোলা নিক্ষেপ করেছে। ইয়েমেনে অভিযানরত সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট বাহিনীর মুখপাত্র বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আহমেদ আসেরি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, এখন আমাদের যুদ্ধনীতি হচ্ছে: তুমি সীমান্তের কাছে আছ মানে তুমি নিহত হয়েছো। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আসেরি জানান, শুধু সোমবারেই সৌদি সীমান্ত চৌকিগুলো লক্ষ্য করে প্রায় ১৩০টি মর্টারের গোলা এবং ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে হুতি ও সালেহ অনুগত সেনারা।
ইয়েমেনে জোট বাহিনীর বিমান হামলায় বেসামরিক হতাহতের জন্য কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে রিয়াদকে। সমালোচনার মুখে রোববার লক্ষ্যস্থল নির্দিষ্ট করার পদ্ধতির উন্নয়ন করার কথা জানিয়েছে দেশটি, পাশাপাশি বেসামরিক লক্ষ্যে হামলা চালানো হয়েছে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখতে একটি কমিটি গঠন করারও ইঙ্গিত দিয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লড়াইয়ে ও জোট বাহিনীর বিমান হামলায় প্রায় ছয় হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন যাদের প্রায় অর্ধেক বেসামরিক। রয়টার্স।
