ড্যান্ডি ডাইং মামলার বিচার শুরু

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৬:৩৮
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণ খেলাপের মামলার বিচার শুরু হচ্ছে।
 
মঙ্গলবার ঢাকার এক নম্বর অর্থঋণ আদালতের বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস এ মামলায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করে সাক্ষ্য ‍শুরুর দিন ঠিক করে দিয়েছেন।
 
মামলার বাদীপক্ষ সোনালী ব্যাংকের আইনজীবী জাহাঙ্গীর আলম জানান,  আদালত আগামী ১ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রেখেছে।
 
৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণ খেলাপের অভিযোগে ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম অর্থ ঋণ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
 
মামলার মূল আসামি আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ হিসাবে মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, মেয়ে জাহিয়া ও জাফিয়া রহমানকে এ মামালায় বিবাদী করা হয়। তাদের পক্ষে ইস্যু গঠনের শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম।
 
ড্যান্ডি ডায়িং মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদের মৃত্যুর পরও তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকেও বিবাদী করেছিল সোনালী ব্যাংক।
 
মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, খালেদার ভাই প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার, সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী নাসরিন আহমেদ, তারেকের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ও তার স্ত্রী শাহিনা বেগম।
 
মামলার আরজিতে বলা হয়, ১৯৯২ সালে তিন কোটি টাকা মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করে ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড। ১৯৯৩ সালের ৫ মে সোনালী ব্যাংক থেকে ১৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা ঋণ নেন বিবাদীরা। এরপর ১৯৯৬ সালে সাঈদ এস্কান্দারের আবেদনে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আবার ঋণ মঞ্জুর করে।
 
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল ড্যান্ডি ডায়িংকে দেয়া ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ কোটি ৬৯ লাখ ৯৭ হাজার টাকা, বারবার তাগাদার পরও যা পরিশোধ করেননি বিবাদীরা।