বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জনগণের জন্য সাশ্রয়ী জ্বালানি নিশ্চিত করতে সরকার কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য হাজী মো. সেলিমের পয়েন্ট অব অর্ডারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরে আবাসিক খাতে পাইপ লাইনের গ্যাস ব্যবহার হ্রাস করে ৭০ ভাগ এলপিজি ব্যবহারের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এ জন্য পাইপ লাইনের গ্যাস ও এলপিজির দামের মধ্যে সমন্বয় সাধনের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে পাইপ লাইনে গ্যাস ব্যবহারকারীদের মাসে ব্যয় হয় ৬শ টাকা। অথচ এলপিজি ব্যবহারকারীদের দেড় থেকে আ্ড়াই হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। এ ব্যবধানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা হবে। আর সিএনজি শিল্পখাতে ব্যবহার করা হবে। গ্যাসের বর্তমানে যে মজুদ রয়েছে (নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিস্কার করা না গেলে) তা দিয়ে আগামী ১০ থেকে ১২ বছর চলতে পারে।
নসরুল হামিদ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ জেট ফুয়েল ও ডিজেল আমদানি করে থাকে। গ্যাসের উপজাত হিসেবে পাওয়া তেলকে রিফাইন করে দেশে পেট্রোল উৎপাদন করা হয় বলে তা আমদানি করতে হয় না। দেশে বছরে ২ লাখ ৮০ হাজার টন পেট্রোল উৎপাদন করা গেলেও বর্তমানে পেট্রোলের ব্যবহার কমে যাওয়ায় ১ লাখ ২০ হাজার টন উৎপাদন করা হচ্ছে।
