মোবাইল ডিভাইসের কারণেই ছোট হয়ে আসছে বৈশ্বিক পার্সোনাল কম্পিউটার ও ল্যাপটপের বাজার। প্রত্যাশানুযায়ী মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানই পিসি ও ল্যাপটপ ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। এমনই এক প্রতিষ্ঠান ভায়ো কর্পোরেশন।
স্মার্টফোন বাজারে এই প্রতিষ্ঠান একেবারেই অপরিচিত। কিন্তু পিসি ও ল্যাপটপ বাজারে জাপানভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের বিপুল নামডাক রয়েছে। চাহিদা কমে যাওয়ায় পিসি ও ল্যাপটপ বাজারে ধুঁকছে প্রতিষ্ঠানটি। ঘুরে দাঁড়াতে তাই তারা এবার স্মার্টফোন বাজারে প্রবেশ করেছে।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ‘ভায়ো ফোন বিজ’ নামে প্রথম স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। আপাতত জাপানের বাজারের জন্য ফোনটি উন্মোচন করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে কবে নাগাদ ডিভাইসটি সরবরাহ শুরু হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সূত্র- দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
আগামী এপ্রিল থেকে স্মার্টফোনটি স্থানীয় সেলফোন অপারেটর এনটিটি ডোকোমোর সঙ্গে যৌথভাবে জাপানের বাজারে বিক্রি শুরু হবে। এটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২৪ ডলার।
উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম চালিত ভায়োর প্রথম এ স্মার্টফোনে ১৯২০x১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। এতে অক্টা-কোর কোয়ালকম ৬১৭ প্রসেসর রয়েছে।
৩ গিগাবাইট র্যামের এ ডিভাইসে ১৬ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে, যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ৬৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।
স্মার্টফোনটিতে এলইডি ফ্ল্যাশসহ ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরার পাশাপাশি ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা রয়েছে।
টুজি, থ্রিজি ও ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্ক সমর্থনের পাশাপাশি ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস সংযোগ সমর্থন করবে। ডিভাইসটিতে ২৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ‘ভায়ো ফোন বিজ’ ব্যবহারে পার্সোনাল কম্পিউটারের (পিসি) অভিজ্ঞতা পাবেন গ্রাহকরা। কারণ এর সঙ্গে বাহ্যিক মনিটর যুক্ত করার সুবিধা রয়েছে। ফলে পিসি হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে ডিভাইসটি।
