ব্যাপক সমালোচনার মুখে প্রাইভেসি পলিসিতে পরিবর্তন আনে ফেসবুক। নতুন নীতিমালায় ব্যবহারকারীদের কি ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং কোন কাজে তা ব্যবহার করা হয় তা সুস্পষ্ট করা হয়।
প্রাইভেসি পলিসির আগের দীর্ঘ ও জটিল শর্তগুলো সহজ করেছে ফেসবুক। এতে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত হয়েছে পলিসি। কিন্তু এরপরও বন্ধ করা যাচ্ছে না সমালোচকদের মুখ। তার কারণ, পলিসি সংক্ষিপ্ত করা হলেও ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে এখনো রয়ে গেছে ফেসবুকের প্রবেশের সুযোগ।
আর ফেসবুক পলিসির প্রধান দুই সমালোচনার বিষয় তুলে আনা হল এই প্রতিবেদনে।
স্থান এবং অবস্থান
আগে ব্যবহারকারীর ‘কারেন্ট সিটি’র ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ দিত ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সম্প্রতি তারা বিশেষ বিশেষ স্থানের ভিত্তিতেই ব্যবসায়ীদের এই সুযোগ দিয়ে থাকে। এর মানে স্মার্টফোনের জিপিআরএস ইনফরমেশন ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর স্থান এবং অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে এই সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট। কখনো কখনো ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই সিগন্যাল ফেসবুকের এই কাজে সাহায্য করে থাকে। এ ছাড়া এই নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করা ছবি থেকে এই তথ্য পেয়ে থাকে তারা।
অফলাইন ইনফরমেশন
ফেসবুকে থাকা অবস্থায়ই শুধু এই জায়ান্ট তথ্য সংগ্রহ করে না, বরং লগ-আউট করার পরও ব্যবহারকারীর নানা তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। যেমন, লগ-আউট করে অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলে সেই তথ্যও পেয়ে যায় ফেসবুক। এমনকি, অফলাইনে থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারীর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা বা না করা সম্পর্কিত তথ্যও সংগ্রহ করে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
