মিয়ানমারে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ১৭ মার্চ

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ২২:৫৭
আগামী ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মিয়ানমারে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।  সোমবার দেশটির সংসদের এ তারিখ ঘোষণা করে। আর এ নির্বাচনের পরপরই ১ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ শুরু হবে।
 
গত বছর ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে সু চির দল এনএলডি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। নির্বাচনে দলটি প্রায় ৮০ শতাংশ আসন পায়। নিজ আসনে সু চিও জয়লাভ করেন। কিন্তু সু চির দেশটির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে সাংবিধানিক বাধা রয়েছে। মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী স্বামী/স্ত্রী বা সন্তানদের কেউ বিদেশি নাগরিক এমন ব্যক্তি দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির স্বামী যুক্তরাজ্যের নাগরিক ছিলেন। তার সন্তানও যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
 
তবুও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী সু চির হাত ধরেই অর্ধশতাব্দী পর মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে। সু চিকে প্রেসিডেন্ট করতে হলে সংবিধান সংস্কার করতে হবে। এনএলডি ও সেনাবাহিনী এ বিষয়ে আলোচনা করছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
 
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাতকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থিন সান নাইং বলেন, সু চিকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী করার পথ প্রশস্ত করতে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে এনএলডি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ৫৯ (এফ) অনুচ্ছেদ নিয়ে সেনাবাহিনী ও এনএলডি’র মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি দাবি করেন, ‘এই অনুচ্ছেদ বাতিল করা সম্ভব না। কারণ এটি সংবিধান পরিপন্থি। এটি নিয়ে এরই মধ্যে সংসদে আলোচনা হয়ে গেছে। তাই আবারও এ প্রস্তাব উত্থাপন করা বা আলোচনা করা উচিত হবে না।
 
মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, উভয় কক্ষ থেকে একজন করে মোট দুই জন প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পাবে। আর সংসদের একচতুর্থাংশ আসনের স্থায়ী সদস্য সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা তাদের মধ্য থেকে একজন প্রার্থী দেবে।