একসাথে দুই স্ত্রী সমেত ছবি প্রকাশ করেছিলো কণ্ঠশিল্পী সঙ্গীত পরিচালক আরফিন রুমী। এরপর সাড়ম্বড়ে দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করার কথা বলেই কলঙ্কিত করেছিলেন সঙ্গীতাঙ্গন। ছি: ছি: পড়ে গিয়েছিল গোটা শোবিজ অঙ্গনে।
এরপর প্রথম স্ত্রী অনন্যা’র মামলায় রুমির জেল জরিমানা সহ দুই পক্ষের নোংরামি মিডিয়াতে ছড়াতে ছড়াতে অবশেষে ২০ লক্ষ টাকা মুচলেকা দিয়ে প্রথম স্ত্রীর বিষয়টা ফায়সালা করে রুমি। কিন্তু ততদিনে সঙ্গীতাঙ্গনে এক বাজে উদাহরণ তৈরি করে অন্য সকল সঙ্গীত কর্মীদের লজ্জায় ফেলে দেয় সে।
এবারে যেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী’র পালা। এবারে রুমি বলছেন, ‘তার এই স্ত্রীও নাকি খুব বাজে ব্যবহার করতো তার সাথে। তার পরিবারের সাথেও খুব বাজে আচরণ করতো।’
অন্যদিকে রুমীর দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুন বলেন, ‘ঢাকায় রুমির সাথে থাকাকালীন ওর মা আমার সাথে কত বাজে আচরণ করতো আর রুমীও আমার সাথে কত নোংরাভাবে কথা বলতো তা রুমীর বন্ধুরাই ভালো বলতে পারবে? আমার বেশি কিছু বলতে হবে না।’
এদিকে রুমীর ঘনিষ্ঠ এক গীতিকার নাম প্রকাশ না করা সূত্রে জানালেন, ‘নতুন গায়িকাদের নিয়ে সন্দেহ করা থেকেই নানান কটুক্তির সূত্রপাত! এমনকি রুমী আর কামরুনের একাধিক ঝগড়ার স্বাক্ষীও তিনি।’
এই অবস্থায় আরফিন রুমী দ্বিতীয় স্ত্রীকে ডিভোর্সের ঘোষণা আসে আজকের মিডিয়াতে।
IMG0
অন্যদিকে কামরুন ইঙ্গিত করেছেন, ‘অন্য কোনো মেয়ের সাথে নতুন সম্পর্কের কারণেই এরকম ঘটনা। তবে এবারে আমিও দেখে ছাড়বো। ও বিয়েটাকে পুতুলখেলা ভাবে। এবারে আমি মামলা করবো যদি ও ডিভোর্স দিতে চায়। কারণ এখনও আমি কোনো কাগজ পাইনি। তবে আমি মনে করি, অনন্যা ওকে মাফ করে ভুল করেছে। ওর শাস্তি পাওয়া উচিত ছিল।’
অন্যদিকে রুমীর প্রথম স্ত্রী অনন্যা এ বিষয়ে কোনো মন্তব করতে চাইছেন না। শুধু জানালেন, ‘এত নোংরামি নিয়ে আর কোনো কথা বলতে চাই না। রুমি কেমন ছেলে আজ সারা দুনিয়াই জানে।’
উল্লেখ্য, রুমীর দুই ঘরে দুই সন্তান। একদিকে প্রথম স্ত্রীর অভিযোগ তার সন্তানকে দেখেন না। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুন অভিযোগ করেছেন যে নিউইয়র্ক থাকতেই তার ছেলের সাথে ভিডিও কল করলেও সে লাইন কেটে দিত। এত পাষন্ড, এত নোংরা মনের মানুষ আমি কম দেখেছি।’
তবে ডিভোর্স পেপার হাতে এলেই মামলা করবেন বলে জানান।
উল্লেখ্য, সন্তানকে নিয়ে মা কামরুন বাংলাদেশের পথে এখন তিনি।
