আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাত্র ১৪৫ রানে গুটিয়ে গেছে ভারত। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রবিবার টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেবারিটদের মাত্র ৪৫.১ ওভারে অলআউট করে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করেছেন অধিনায়ক হেটমায়ার।
টস হেরে ভারতের হয়ে ব্যাটিং উদ্বোধন করতে নামেন রিশব পান্ত ও ইশান কিশান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরেন ইনফর্ম ব্যাটসম্যান রিশব পান্ত। আলজারি জোসেফের বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন এক রান করা রিশব। নিজের দ্বিতীয় আর দলের তৃতীয় ওভারে জোসেফ তুলে নেন অলমোলপ্রিতের (৩) উইকেট। উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ভারতীয় এ ব্যাটসম্যান। দলীয় ৮ রানেই দুই উইকেট হারায় ভারত।
এরপর উইকেটে থেকে সাময়িক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন দলপতি ইশান কিশান ও ওয়াসিংটন সুন্দর। তবে, ইনিংসের সপ্তম ওভারে জোসেফের আরেক দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সাজঘরের পথ ধরেন ভারতের দলপতি ইশান। এলবির ফাঁদে পড়ে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান।
দলীয় ২৭ রানে তিন উইকেট হারানো ভারত অনূর্ধ্ব-১৯ দল দলীয় ৪১ রানের মাথায় চতুর্থ ব্যাটসম্যানকে হারায়। ৪১ বলে ৭ রান করা ওয়াসিংটন সুন্দর ইনিংসের ১৫তম ওভারে জনের বলে জোসেফের তালুবন্দি হন। দলীয় ৫০ রানের মাথায় আরমান জাফর (৫) বিদায় নিলে টপঅর্ডারের পঞ্চম ব্যাটসম্যানকে হারায় ভারত। ইনিংসের ১৮তম ওভারে স্প্রিংগারের বলে কেমো পলের হাতে ধরা পড়েন জাফর।
দলীয় ৫০ রানেই ফেরেন রিশব পান্ত, অলমোলপ্রিত, ইশান কিশান, ওয়াসিংটন সুন্দর ও আরমান জাফর। সেখান থেকে জুটি গড়ে দলকে টেনে নিয়ে চলেন মহীপাল ও সরফরাজ খান। তবে, ৩৭ রানের এ জুটি ভাঙে ইনিংসের ৩০তম ওভারে। কেমার হোল্ডারের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ১৯ রান করা মহীপাল।
ইনিংসের ৩৭তম ওভারে জনের দ্বিতীয় শিকারে সাজঘরের পথ ধরেন মায়াঙ্ক দাগার (৮)। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে কার্টির দারুণ এক বিদায় নিতে হয় দাগারকে। ৪০তম ওভারে কেমো পল তার প্রথম উইকেটের দেখা পান। আভিস খানকে (১) জনের হাতে ধরা দিতে বাধ্য করেন পল।
দলকে টেনে নিয়ে চলা ইনফর্ম সরফরাজ খান ৫১ রান করে বিদায় নেন। জন তার তৃতীয় শিকার তুলে নিতে সরফরাজকে এলবির ফাঁদে ফেলেন। শেষ দিকে রাহুল বাথাম ২১ রান করেন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন সরফরাজ খান। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান আসে অতিরিক্ত খাত থেকে। যার মাঝে ১৬ রানই আসে ওয়াইড বল থেকে। আলজারি জোসেফ ও রায়ান জন তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন।
