ফানুস উড়ানোর মধ্যদিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপে শেষ হলো পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রম

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৯:১৭

রবিবার সন্ধ্যায় ফানুস উড়ানোর মধ্য দিয়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপে শেষ হলো তিনদিন ব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রম। মোমেন্টো ট্যুরস অ্যান্ড ইভেন্ট এবং মেমোরিয়া এন্টারটেইনমেন্ট এর উদ্যোগে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল দৈনিক ইত্তেফাক।
এর আগে ভোরে উঠে সূর্যোদয় দেখা এবং দুপুরে সাইক্লিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে সন্ধ্যায় নানা রঙের ফানুস উড়িয়ে কার্যক্রম শেষ করেন মেমোরিয়া এন্টারটেইনমেন্ট এর প্রধান নির্বাহী মাঈনউদ্দিন সুমন।

আয়োজন সম্পর্কে তিনি বলেন, শুক্রবার ঘুড়ি উৎসবের মধ্যদিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করি। এরপর ভোরে উঠে সূর্যোদয় দেখা, সাইক্লিং প্রতিযোগিতা, জনসমাগম হয় এমন স্থানে সচেতনতামূলক ব্যানার, ফেস্টুন লাগিয়ে আমরা সচেতনতা সৃষ্টির কাজ করেছি।
IMG0
তিনি আরো বলেন, পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন তিন হাজারের বেশি পর্যটক সেন্টমার্টিন দ্বীপে আসেন। অনেকেই বিকেলে চলে যান। আবার দ্বীপটিতে রাত কাটাতে থেকে যান অনেকে। কিন্তু এই পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত হোটেলগুলো থেকে সরাসরি বর্জ্য ফেলা হয় সমুদ্রের পানিতে। এ ছাড়া সমুদ্র সৈকতে পর্যটকরাও ফেলে আসেন বিভিন্ন প্লাস্টিকের প্যাকেট ও খাবারের দ্রব্য, যা সমুদ্রের পানিকে দূষিত করে। তাই যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে। আমাদেরকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে।
IMG1
এ বিষয়ে মোমেন্টো ট্যুরস অ্যান্ড ইভেন্ট এর প্রধান নির্বাহী মো. জুবাইর ইবনে মাহবুব বলেন, বছরের এই সময়ে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের চাপ থাকে বেশি। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার অভাবে এখানকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে দ্বীপটির সামুদ্রিক পরিবেশ। দ্বীপটির পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সকলের প্রচেষ্টায় সামুদ্রিক কাঁকড়া, কাছিম, প্রবাল, মুক্তা আর বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রাকৃতিক অ্যাকুরিয়াম সেন্টমার্টিন দ্বীপকে রক্ষা করা সম্ভব।
আয়োজনের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল ট্রাভেল কাইটস, মেঘ মাটি রিসোর্ট, ব্লু মেরিন রিসোর্ট। সহযোগী হিসেবে ছিল ঢাকা ট্রিবিউন, এশিয়ান টেলিভিশন ও এশিয়ান রেডিও।