সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহরে হাসপাতাল ও স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘটনাকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে দাবি করেছে ফ্রান্স ও তুরস্ক। সোমবার বিদ্রোহী অধিকৃত ঐ এলাকার পাঁচটি চিকিত্সা স্থাপনা ও দুটি স্কুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়, এতে প্রায় ৫০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হন। তবে রুশ বিমান থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তুরস্ক ও ফ্রান্সের দাবি অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন। আর সিরিয়া এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে।
IMG0
জাতিসংঘের দাবি হাসপাতাল ও স্কুলের মত স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলা যুদ্ধাপরাধের সামিল। ক্রেমলিনের মুকপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেছেন, যারা এমন দাবি করছে তারা এর স্বপক্ষে কোন প্রমাণ দেখাতে পারবে না।
তুর্কি প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু বলেছেন, একটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ভবনগুলোতে আঘাত হেনে শিশুসহ অনেক বেসামরিককে হত্যা করেছে। ‘পরিষ্কার যুদ্ধাপরাধ’ করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মিতস সঁ ফঁতিয়া-র (এমএসএফ) ঐ ক্লিনিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কঠোর নিন্দা করে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ মাক এহো এটিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
IMG1
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুসান রাইসও এ হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানিয়েছেন। কিন্তু রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভেরোনিকা সকভোর্তসোভা বলেছেন, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অবকাঠামো লক্ষ্য করে রুশ বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। কিন্তু ইদলিবের বেসামরিক এলাকায় রুশ বিমানগুলো বোমাবর্ষণ করেছে এ ধরনের অভিযোগ বিশ্বাস করার কোনো কারণ তিনি দেখছেন না। জেনেভা থেকে তিনি বলেন, এটি কোনোভাবেই আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাজ নয়, এ বিষয়ে আমাদের পুরোপুরি বিশ্বাস আছে, কারণ এটি আমাদের আদর্শের পরিপন্থী।
রাশিয়ায় নিযুক্ত সিরীয় রাষ্ট্রদূত এ কর্মের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিমানগুলো দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু মার্কিন ক্যাপ্টেন জেফ ডিভিস বলেন, সেখানে আইএস নেই যে আমরা হামলা চালাবো। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স
