প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেই স্টেডিয়ামগুলোতে স্কুল কলেজের ছেলে-মেয়েরাই বেশি খেলাধুলা অনুশীলন করতে পারবে। গতকাল বিকালে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবলের পুরস্কার বিতরণ করতে এসে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে ৬৩,৫০৯টি এবং বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবলে ৬৩,৪৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। আমি জানি না পৃথিবীর কোনো দেশে এতো বিশাল খেলা হয় কিনা।’
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবলে ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন এক লাখ এবং রানার্স আপ ৭৫ হাজার টাকা পায়। খেলোয়াড়দের অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে উত্সবমুখর পরিবেশে দুপুরে ছেলেদের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মেয়েদের ফাইনালের আগে সংস্কৃতি নিয়ে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা। ফাইনাল খেলায় নিজ নিজ স্কুলের পক্ষে সমর্থন দেয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীরা স্টেডিয়ামে এসেছিলো। পরিপূর্ণ ছিল স্টেডিয়াম।
স্টেডিয়ামের ভিতরে-বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। খুদে ফুটবলারদের মিলন মেলায় ফুটবল উত্সব গেছে কাল।
প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১০ সাল থেকে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ এবং ২০১১ সাল থেকে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু করে। প্রতি বছর প্রায় ২১ লাখ ছাত্রছাত্রী ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে। নিয়মিত আয়োজনে ফুটবলের তৃণমূল পর্যায়ে সাড়া ফেলেছে এই টুর্নামেন্ট। খুদে ফুটবলারদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে খেলার পরিবেশ রাখতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি খুদে ফুটবলারদের খেলায় মুগ্ধ হয়ে বলেছেন ‘এই ছোট ছোট শিশুরা এতো চমত্কার নৈপুণ্য দেখিয়েছে, মাঝে মাঝে মনে হয় বড়দেরও হার মানিয়ে দিয়েছে।’ বিশেষ অতিথি ছিলেন গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন (বিস্তারিত পড়ুন খেলার খবর পাতায়)
