রবি-এয়ারটেল একীভূতকরণ নিয়ে গণশুনানি

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ২১:৪৭
রবি ও এয়ারটেলের একীভূতিকরণের অনুষ্ঠিত হলো গণশুনানি। বুধবার সকালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রধান সভাকক্ষে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদের সভাপতিত্বে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
 
এতে মোবাইল অপারেটরগুলোর প্রতিনিধি ও টেলিযোগাযোগ খাতের বিশেষজ্ঞসহ মোট ৯৮ জন অংশ নেন।তে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত দিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। শুনানিতে এক অংশগ্রহণকারী বলেন, টেলিকম অ্যাক্ট ৫৫ এর ৪ অনুয়ায়ী স্পেকট্রাম একীভূতিকরণ হয় না। রবি-এয়ারটেল একীভূত হয়ে রবি নামে যেহেতু কোম্পানি হচ্ছে তাহলে রবির স্পেকট্রামই বরাদ্দ থাকবে, এয়ারটেলের স্পেকট্রাম নয়।
 
তিনি বলেন, কোম্পানি দুটি গত স্পেকট্রাম নিলামে অংশ নেয়নি। এছাড়া রিম রিপ্লেসমেন্টে তাদের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে। তাই রবি-এয়ারটেল একীভূতিকরণে কোম্পানি দুটিকে স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণ ও পাওনা পরিশোধের শর্ত দেয়া যেতে পারে।
 
শুনানিতে কোম্পানি দুটির অডিট নিয়েও প্রশ্ন আসে। অডিট নিস্পত্তির পর এই একীভূতকরণের সুযোগ দেয়া উচিত বলে একজন মন্তব্য করেন। এছাড়া শুনানিতে এই একীভূতিকরণের বিরোধিতা করছে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)
শুনানিতে কেউ কেউ বলেছে একীভূতিকরণ হলে দেশে টেলিকম খাতে মনোপলি ব্যবসার অবস্থা তৈরি হবে।
কেউ বলেছে, গ্রাহকরা ভাল নেটওয়ার্ক ও সেবা পাবে।
কমিশন সকলের মতামত শুনে তা লিপিবদ্ধ করে। এই একীভূতিকরণের ফলে দুই কোম্পানির কর্মীদের চাকরিতে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান।
 
এমনকি এয়ারটেলের কর্মী বা কোম্পানির সাথে সংশ্লিষ্ট যারা একীভূতিকরণের পক্ষে তাদেরকেও এই শুনানিতে গ্রাহক ক্যাটাগরিসহ বিভিন্নভাবে নিয়ে আসা হয়েছে। 
 
কমিশনের বিদ্যমান আইন ২০০১-এর ৮৭ ধারা অনুসারে এ শুনানির আয়োজন করা হচ্ছে।এছাড়া একীভূতকরণের বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মতামত থাকলেও তা লিখিত আকারে বুধবারের (১৭ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে বিটিআরসির কাছে পাঠাতে হবে।