কুমিল্লা দেবিদ্বারে ফারজানা আক্তার (১৫) নামের অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দিলেন দেবিদ্বার উপজেলা নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) মোসা. শামসুন নাহার।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ফারজানার বিয়ের সকল আয়োজন করেছিলেন তার পিতা মো. আনোয়ার হোসেন। পরে কনে ও তার পিতাকে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট সোপর্দ করা হয়। এরপর সুবিল ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের ও স্থানীয় অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘১৮ বছরের আগে বিয়ে নয়’ এমন মুুচলেকা দিয়ে ছাড়া কনের পিতা মো. আনোয়ার হোসেন।
উপস্থিত স্থানীয়রা বলেন, ‘উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর গোসাইবাড়িতে ফারজানার নিজ বাড়িতে দেবিদ্বার উপজেলা নিবার্হী ম্যাজিট্রেট (ভূমি) কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিগণসহ পুলিশ নিয়ে হাজির হন। পুলিশ দেখে ফারজানার বাবা-মা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে বিয়ে বাড়ির পেন্ডেলের বাঁশ খুলে ফেলেন পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। এদিকে একই ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামের বরের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে বিয়ে করতে ফারজানার বাড়িতে আর আসেনি।’
দেবিদ্বার উপজেলা নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) মোসা. শামসুন নাহার বলেন, ‘ফোনে বিষয়টি শোনার পর পুলিশসহ আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই, পাঠিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।’
আরও পড়ুনঃ শুধু ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হতে পারে না : তথ্যমন্ত্রী
এ ব্যাপারে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা বলেন, ‘কনে ও তার পিতাকে লিখিত ও মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয়েছে। বাল্য বিয়ের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন সজাগ রয়েছে।’ এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোসা. সালাম বেগম, দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক মো. কিবরিয়া।
ইত্তেফাক/নূহু
