নির্দিষ্ট সময়েই কাউন্সিল হবে: মির্জা ফখরুল

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ২০:১১
সরকারের সব বাধা উপেক্ষা করেই আগামী ১৯ মার্চ নির্দিষ্ট সময়েই বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
 
তিনি বলেন, কাউন্সিলের জন্য তিনটি ভেন্যু চেয়েছিলাম, কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের অনুমতি দেয়া হয়নি। আশা করি, গণতন্ত্রের স্বার্থে আমরা অনুমতি পাবো। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তারা কাজ করবে। আমরা প্রত্যাশা করছি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার দ্রুতই বিএনপির কাউন্সিলের অনুমতি দেবে।
 
শুক্রবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ছাত্রদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা মহানগরসহ বিভিন্ন ইউনিটের কমিটিকে নিয়ে জিয়ার শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের একথা বলেন মির্জা ফখরুল।
 
ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গেলেও ওই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।
 
তিনি জানান, প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্তের কাজ চলছে, সঠিক সময় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
 
সাম্প্রতিক শিশু হত্যা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, দেশে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলতে কিছুই নেই। গত কয়েকদিনে ৪০ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত নির্মম, নৃশংস। কোনো সভ্য সমাজে এটি ঘটতে পারে না। শিশু হত্যা প্রমাণ করে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে।
 
তিনি বলেন, জনগণের সমস্যাগুলো থেকে তাদের দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে সরাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত কথা-বার্তা বলা হচ্ছে। অথচ তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করেছেন। এজন্য তিনি বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন। সেই মানুষকে যদি কেউ অন্যভাবে চিত্রিত করতে চায়, সেটি হবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এতে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না।
 
এ সময় ছাত্রদলের সাবেক নেতা আমান উল্লাহ আমান, ফজলুল হক মিলন, নাজিমউদ্দিন আলম, খায়রুল কবির খোকন, আজিজুল বারী হেলাল, বর্তমান সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাতি তারেক উজ্জামান তারেক, নাজমুল হাসান, মনিরুজ্জামান রেজিন, মামুন বিল্লাহ, ইখতিয়ার রহমান কবির, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম-সম্পাদক মিয়া মো. রাসেল, আব্দুর রহিম হাওলাদার সেতু, মিজানুর রহমান সোহাগ, দপ্তর সম্পাদ আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়াসহ কেন্দ্রীয় সংসদ ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।