টানা কয়েকমাস ঢাকা টু কলকাতা যাতায়াতেই যেন ক্লান্ত ওম। এরভেতরে ঢাকায় একবার ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে নাকাল হবার খবরও এসেছে!
অন্যদিকে ফারিয়ারও একই অবস্থা। এই সপ্তাহ ঢাকায় তো পরের সপ্তাহে কলকাতায় গানের শুটিং এ গেছে কিছুদিন। এই যখন অবস্থা তখন হিরো ৪২০ ছবিটি মুক্তির পরও দৌড়ঝাঁপ থেমে নেই। দুজনই গত এক মাসে ঢাকা ও কলকাতার প্রায় সব চ্যানেলে হাজির হয়েছেন। ছবিটি নিয়ে কথা বলেছেন।
IMG0
ফারিয়ার কথায়, ‘আগে শুনেছি চলচ্চিত্র বিশাল এক মিডিয়া,তখনও বুঝিনি আসলে কতটা বিশালত্ব এর। এখন বুঝতে পারছি আসলে কতটা! সবক’টা চ্যানেলে তো হাজির হবার বিষয় রয়েছেই; এছাড়া ঢাকা ও এর আশেপাশে বিভিন্ন সিনেমা হলগুলোই ভিজিট করেছি।’
জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে রিলিজ হওয়া এই চলচ্চিত্র নিয়ে মিডিয়ার আলোচনার ঢেউ অনেকদূর গড়িয়েছে, তবে সিনেমার এই মহামন্দা বাজারে সুপার ডুপার হিট ছবির দেখা না মিললেও এই ছবিটি দর্শক রায়ে কতদূর এগিয়ে যায় তার হিসেব করার এখনও সময় হয়নি।
তবে ছবিটি বেশ স্বচ্ছন্দ গতিতেই এগুচ্ছে। ফারিয়া-ওম জুটির এই ছবিটি দেখে মানুষ খুবই এনজয় করছেন বলে জানান ছবির পাত্র-পাত্রী।
IMG1
এদিকে ওম বলেন, ‘ফারিয়ার সাথে কাজ করে সত্যিই এনজয় করেছি। সবচেয়ে মজা পেয়েছি আমরা যখন বিভিন্ন সিনেমা হলে দর্শকদের সাথে ছবি দেখতে গিয়েছি তখন অনেকেই মনে করেছে আমি বাংলাদেশি। আবার কেউ কেউ ফারিয়াকে বলেছে ও নাকি কলকাতার মেয়ে। সবমিলিয়ে দর্শকরা যে এত উত্সাহের সাথে ছবিটি এনজয় করেছে যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
ফারিয়ার কাছে চলচ্চিত্রের হিসেবটা খুব বেশি পুরনো না হলেও শোবিজের সবচেয়ে বড় মাধ্যমে কাজ করে খুব এনজয় করেছেন তিনি। ফারিয়ার কথায়, ‘একটি চলচ্চিত্রে কাজ করা, আর নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রায় সমান কথা। কারণ এখানে দর্শকেরাই সবচেয়ে বড় কথা। আমি ছবির কথা বলতে বলতেই যেন মনে হয়, সারাদেশের মানুষ আমার ভোটার। ওরা ওদের ভালোবাসাটুকু দিতেই হলে আসছে। সত্যিই এ এক অনন্য অনুভূতি।’
IMG2
উল্লেখ্য, ছবির প্রচারণার স্বার্থে ফারিয়া ও ওম দুজনেই বইমেলাতেও পাঠক-দর্শকদের সাথে সময় কাটিয়েছেন।
