চার বছরের এক শিশুকে হত্যার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে মিশরের এক আদালত। যে অপরাধে শিশুটিকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে সেটি সংঘটিত হওয়ার সময় তার বয়স ছিল এক বছর!।
চার বছর বয়সী আহমেদ মনসুর কারমির বিরুদ্ধে চারটি হত্যা, আটটি হত্যাচেষ্টা, একটি ভাঙচুর এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। যে সময়ের এই অভিযোগগুলো সবগুলো সংঘটিত হয়েছিল তার দ্বিতীয় জন্মদিনের আগেই। ২০১৪ সালে সংঘটিত এই অপরাধগুলোর জন্য মনসুর কারমি সহ ১১৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে মিশরের রাজধানী কায়রোর এক আদালতে।
শিশুটির আইনজীবী ফয়সাল আল সাঈদ জানিয়েছেন ভুল করে তার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরে আদালতে মনসুর কারমির জন্ম নিবন্ধনপত্র উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু আদালত বিচারকের কাছে জন্ম নিবন্ধন উপস্থাপন করেনি যার মাধ্যমে প্রমাণ হয় মনসুরের জন্ম ২০১২ সালে। তিনি বলেন, শিশু মনসুর কারমির জন্ম নিবন্ধন নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে দেয়া হয়েছিল যারা ভুল করে তার নাম অভিযুক্তদের তালিকায় দিয়েছিল। কিন্তু মামলাটি পরে সেনাবাহিনীর আদালতে চলে যায় এবং আদালতে অনুপস্থিতির জন্য শিশুটির উপর সমন জারি হয়। এটা প্রমাণ করে যে বিচারক মামলাটি পড়েই দেখেননি।
আরেকজন আইনজীবী বলেছেন, এটা প্রমাণ করে যে মিশরে কোনো ন্যায়বিচার নেই। তিনি যোগ করেন, মিশরে যুক্তি আত্মহত্যা করেছে। মিশর এখন কিছু উন্মাদ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। মিশর প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাজ আল সিসির সামরিক একনায়কতন্ত্রে পরিচালিত হচ্ছে। দেশটিতে প্রায় ৪০ হাজার সরকার বিরোধী সমর্থক বিভিন্ন অপরাধে কারাগারে বন্দী রয়েছে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
