তারেকের বিরুদ্ধে সমন

লন্ডনের ঠিকানার চিঠি পৌঁছানোর বিষয় জানাতে নির্দেশ

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১২:৫১
 
অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সমন জারির চিঠি লন্ডনের ঠিকানায় পৌঁছানো হয়েছে কি না, তা আগামী তিন দিনের মধ্যে জানাতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে নির্দেশ  দিয়েছে হাইকোর্ট।
 
একই সঙ্গে এই মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিলের শুনানির জন্য আগামী ৩ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।
 
রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
 
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন, অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। পরে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করেননি বলে জানিয়েছেন।
 
সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ চলতি বছর দুইটি পত্রিকায় এই বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেয়।
 
২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস ও তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদ্ল দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত। পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানা এবং পাচারকৃত ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত।
 
রায়ের বিরুদ্ধে ঐ বছরের ৫ ডিসেম্বর আপিল করে দুদক। পরে ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের আদেশ দেয় হাইকোর্ট। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি দুদক হাইকোর্টে শুনানির জন্য দিন ধার্যের আবেদন করলে ১২ জানুয়ারি তারেকের বিরুদ্ধে সমন নোটিশ করা হয়।
 
২০০৯ সালের ২৬ জুলাই নগরীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তারেক রহমান ও মামুনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যাদেশ পাইয়ে দেয়ার কথা বলে নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াস উদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। পরবর্তী সময় সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এ টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।