ইরানের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিসহ সংস্কারপন্থীরা রক্ষণশীলদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। গত শুক্রবার দেশটির ভোটাররা ভোট দেন। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, রুহানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আকবর হাশেমি রাফসানজানি ২৯০ আসনের পার্লামেন্ট ও ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
তেহরানের ৩০ টি পার্লামেন্ট আসনের প্রায় সবকটিতে সংস্কারপন্থীরা জয় পেয়েছে।
বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলোর সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির পর দেশটিতে প্রথম এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। নির্বাচনের ফলাফল ২০১৭ সালে রুহানির পুনঃনির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রভাব রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশটিতে গত শুক্রবার ২৯০ আসনের পার্লামেন্ট ও বিশেষজ্ঞ পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হয়। বিশেষজ্ঞ পরিষদ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরি নির্বাচন করতে পারে। খামেনির বয়স ৭৬ বছর এবং তিনি অসুস্থ।
প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, বিশেষজ্ঞ পরিষদ নির্বাচনে মধ্যপন্থী রক্ষণশীল রাফসানজানি ও রুহানি পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। এ পরিষদ বেশিরভাগ জ্যেষ্ঠ ও শীর্ষ ধর্মীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
বিপরীতক্রমে ইসলামী কট্টরপন্থীদের প্রধান প্রার্থী আয়াতুল্লাহ তাগহি মেসবাহ ইয়াজদি তালিকার শেষের দিকে রয়েছেন। পার্লামেন্ট নির্বাচনে রাজধানীতে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরফ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন। এছাড়া রক্ষণশীল পার্লামেন্টের সাবেক স্পিকার ঘোলামালি হাদাদ-আদেল সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন।
তবে দেশের অন্যান্য ছোট শহরে নির্বাচনের চিত্র আরো মিশ্র হতে পারে। রুহানি বলেন, নির্বাচন সরকারকে আরো বিশ্বাসযোগ্য করেছে।
