নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের দুটি মামলার একটির সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পালের দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ৩ মার্চ প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহযোগী হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলামের দায়ের করা মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।
এছাড়া আগামী ৭ মার্চ এ মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন, প্রাক্তন র্যাব কর্মকর্তা তারেক সাঈদ ও এমএম রানাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন, র্যাবের চাকরিচ্যুত প্রাক্তন তিন কর্মকর্তাসহ ২৩ আসামিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে হাজির করা হয়।
এদিন প্রাক্তন র্যাব কর্মকর্তা মেজর আরিফসহ ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামলার অন্যতম প্রধান আসামি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১-এর সাবেক অধিনায়ক তারেক সাঈদ আদালতে অনুপস্থিত থাকায় আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি।
সকাল ৯টায় তারেক সাঈদ ও তার সহযোগী চার্চিলকে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং পৌনে ১০টায় প্রধান আসামি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি কাউন্সিলর নূর হোসেন, র্যাব-১১-এর সাবেক কমান্ডার এম এম রানা ও আরিফ হোসেনকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে নেয়া হয়। অন্যদের আনা হয় নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার পর ৩০ এপ্রিল ছয়জনের এবং ১ মে আরও একজনের লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে।
