বনিবনা নেই, তাই স্বামী-স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আলাদা থাকেন দুজন। সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনের নামে কাঁদা ছুঁড়তেও ছাড়েন না। এই হল কারিশমা কাপুর ও তার ব্যবসায়ী স্বামী সঞ্জয় কাপুরের দাম্পত্য সম্পর্কের হাল। কেউ কাউকে বন্ধু ভাবতে পারেন না। তাই বিবাহবিচ্ছেদের পথ বেছে নেন, দ্বারস্থ হোন আদালতের। কিন্তু আদালত বলছে, বন্ধু হোন, আর সমঝোতার মাধ্যমে দূর করুন দাম্পত্য বিবাদ!
ডিভোর্স পিটিশনে সঞ্জয় কাপুরের শুনানি শেষে এই পরামর্শ দেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক একে সিক্রির বেঞ্চ।
২০০৩ সালে ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সঞ্জয় কাপুরের সঙ্গে কারিশমা কাপুরের বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
২০০৫ সালে প্রথম মেয়ে সামায়রার জন্মের পর তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন। ২০১০ সালে আবার তাঁরা মিলিত হন। সে বছরই জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান, রাজ কাপুরের নামের সঙ্গে মিলিয়ে ছেলের নাম রাখা হয় কিয়ান রাজ কাপুর। ২০১৪ সালের জুন মাসে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে । সে সময় গুজব রটেছিল, প্রিয়া ছাটওয়াল নামের এক নারীর সঙ্গে সঞ্জয় কাপুর প্রেম করছেন।
বলা হয়, ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সহ-অভিনেতা অজয় দেবগনের সঙ্গে কারিশমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল । পরবর্তী সময়ে বলিউডের প্রভাবশালী বচ্চন পরিবারের ছেলে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে কারিশমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁরা বাগদানের ঘোষণা দেন। কিন্তু তা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি।
