ঢাকা মহানগরীতে তারহীন প্রযুক্তি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা চালু করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ইতিমধ্যেই সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পের অর্ধেক বাস্তবায়িত হয়েছে উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাকিটুকু বাস্তবায়নের জন্য তরুণদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল বাংলাদেশ ২০১৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অর্থমন্ত্রী।
আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, এক সময় বড় ভাইদের অত্যাচারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম দুর্বিসহ হয়ে উঠে ছিল। এ সব বড় ভাইদের চাপ আমাদের দলে যেমন আছে, তেমনি বিএনপি এবং জামায়াতেও আছে। কিন্তু এখন সেই অবস্থা ক্রমেই বদলে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে কেবল কাজের গতি বাড়ে না। কাজ সহজ করে দেয়ার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে দুর্নীতি রোধে। আজকের প্রজন্মের শিশুদের বাবা-মা বা দাদির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এটা কিন্তু মন্দ নয়। তারা এই এখনই তথ্য-প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিতে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি এ এইচ এম মাহফুজুল আরিফ বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে ২০১৪ সাল পর্যন্ত হার্ডওয়্যার খাতেও আয়কর রেয়াত সুবিধা দাবি করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা আশা করছি সহসাই বাংলাদেশের ওয়ালটন, সিম্ফনি, আমরা টেকনলোজিস এবং নিজস্ব গবেষণায় কাজের মাধ্যমে যে পণ্য তৈরি করছে তা স্যামসাং, ডেল ও এইচপির মতো প্রতিষ্ঠান হয়ে যাবে।
শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, তিন দিনের এই মেলায় ২০ কোটি টাকার প্রযুক্তি পণ্য-সেবা কেনা বেচা হয়েছে।
মাহফুজুল আরিফ বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি ব্র্যান্ডের অধিকাংশ পণ্যই অ্যাসেম্বেল হয়। ইন্টেলের চিপ, এমএসআই মাদারবোর্ড, ডব্লউডির হার্ড ডিস্ক নিয়েই কিন্তু ডেল, এইচপি, ফুজিৎসুর মতো প্রতিষ্ঠান ল্যাপটপ তৈরি করে থাকে। তাই অ্যাসেম্বেল আর তৈরি নিয়ে বিতর্ক না করাই ভালো। নিজস্ব ব্র্যান্ড নামই প্রযুক্তি গেজেটের ক্ষেত্রে মুখ্য।
