রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৬, ১৫:৫৮
 
আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন, তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে নারীদের ক্ষমতায়নের হার অনেক বেশি। নারীর ক্ষমতায়নের বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বে অষ্টম স্থানে আছে। এ অবস্থান আরো উন্নীত করতে হলে  দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
 
রবিবার সকালে আগামী ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টোরাল সিস্টেম(আইএফইএস) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
 
হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী নারী, স্পিকার, সংসদ উপনেতা, বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য ও জনপ্রতিনিধি নারী। গত দুই দশকে নারীর ক্ষমতায়নে দেশে অনেক বেশি কাজ হয়েছে।বাংলাদেশের সবচেয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত পোশাকশিল্প নারীদের কারণেই টিকে আছে।
 
তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাই সর্বপ্রথম স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় ৩৩ শতাংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত করেছিলেন।ফলে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ে নারীদের ক্ষমতা প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়েছিল।
 
তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরই শেখ হাসিনার হাত ধরেই দেশে বিচারপতি, পুলিশের ডিআইজি, রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা আসীন হয়েছিলেন।২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরে দেশের প্রথম নারী স্পিকার, নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছিল।তাই স্বীকার করতে হবে নারীদের ক্ষমতায়নের বেশিরভাগ কাজই আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই হয়েছে।
 
লিপিকা বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় আরো অংশগ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের পক্ষ হতে সাবেক সংসদ সদস্য অপু উকিল, বিএনপির পক্ষ হতে অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন অসিম ও আহমেদ আজম খান, জাতীয় পার্টির প্রফেসর মাসুদা এম রশিদ ও রেজাউল ইসলাম ভূইয়া ও সুজনের বদিউল আলম মজুমদারসহ প্রমুখ।