নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতার করা মামলা বাতিল চেয়ে র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদের আবেদন শুনকে বিব্রতবোধ করেছে হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি ইমদাদুল হক ও বিচারপতি এ এস এম নাজমুল আহসানের ডিভিশন বেঞ্চে বিব্রতবোধের ঘটনা ঘটে।
এরপর আবেদনের নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি যে বেঞ্চে পাঠাবেন সেই বেঞ্চে এই আবেদনের উপর শুনানি হবে।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১(ক) ধারায় মামলা বাতিল চেয়ে আবেদনটি দায়ের করা হয়। নারায়গঞ্জের সাত খুনের ঘটনায় নিহত আইনজীবী সরকারের জামাতা বিজর কুমার পাল এই মামলা দায়ের করেছিলেন। আবেদনে ঐ মামলাটি বাতিল চাওয়া হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী একই ঘটনায় দুইটি মামলা চলতে পারে না। এটা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি। তাই বাতিল করা প্রয়োজন।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও পহেলা মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সাত খুনের ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল পৃথকভাবে দুইটি মামলা করেন।
