তার আত্নীয়-স্বজনদের মধ্যে কেউ বলিউডে নেই। নিজের মত করে এগিয়ে গিয়েছেন অনেক পথ। বলিউডে তৈরি করেছেন শক্ত অবস্থান। 'তনু ওয়েডস মনু' হোক অথবা 'তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস' কিংবা 'কুইন' এর মতো ছবিতে অভিনয় করে পুরুষতান্ত্রিক সমাজটাকে যিনি খানিকটা ভেঙে দিয়েছেন। তিনি হলেন কঙ্গনা রানাওয়াত।
IMG0
যে কঙ্গনা বলিউডের ইতিহাস হয়ে রয়েছেন সেই কঙ্গনা নাকি তার মা-বাবার অনাকাঙ্খিত সন্তান ! আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নিজের অতীতের এই কথাটি অকপটে বললেন কঙ্গনা রানাউতের।
এক সাক্ষাতাকারে নিজের মুখে শোনালেন শৈশবের সেই সব দিনগুলোর কথা। জানালেন, অপ্রত্যাশিত সন্তান হওয়ার জন্য উঠতে বসতে তাকে কত হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।
কঙ্গনার মা-বাবার প্রথম সন্তান মারা যায় মাত্র ১০ দিন বয়সে। বংশের প্রদীপ মনেকরে এই পুত্র সন্তানটির নাম দেওয়া হয়েছিল হিরো। তার পর কঙ্গনার বড়বোন রঙ্গোলির জন্ম হয়। বোনের পর যথন তার জন্মের পালা আসে পরিবারের সকলেই পুত্র সন্তান আশা করেছিলেন।
যখন কঙ্গনার জন্ম হলো তখন তাকে দেখে মা-বাবা দুইজনেই ভীষণ ভেঙে পড়লেন। আর যখন থেকে কঙ্গনা একটু বুঝতে শিখেছেন তখন থেকেই তিনি নাকি অনুভব করেন পরিবারে তার কোনও গুরুত্বই নেই। অন্যান্যরা তো বটেই, বাবা-মাও নাকি উঠতে বসতে তাকে মনে করাতেন তিনি আসলে অনাকাঙ্খিত সন্তান।
এমনকী, অতিথিদের সঙ্গে তার পরিচয় করানোর সময়ও তাকে অনাকাঙ্খিত সন্তান বলেই সম্বোধন করতেন। কেন এমন করতো তারা ? কারণ, দিদি রঙ্গোলির পর আরও একটা কন্যা সন্তান তারা কামনা করেননি !
