বিশ্বকাপ বাছাইয়ে জর্ডান ম্যাচের আগে নিজেদের পরখ করে নিতে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনীর মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় দল। জাতীয় দল ছাড়াও এসময় সবার দৃষ্টি ছিল আরেক দিকে। আর সেটা হলো আবাহনীর হয়ে খেলতে নামা ইংলিশ ফুটবলার লি টাক।
ম্যাচে গোল না পেলেও গতি আর নজরকাড়া কিছু মুভে ইঙ্গিত দিয়েছেন আবাহনীর প্রত্যাশা পূরণের সামর্থ্য তার আছে। ইংল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড জানালেন, নতুন চ্যালেঞ্জ নিতেই বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আরও ছয় বছর খেলতে পারি। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতেই এখানে এসেছি; নতুন কিছু করতে চাই। বিশ্বের নানা প্রান্তে ফুটবল খেলতে চাই।’
IMG0
১৯৮৮ সালে ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া টাক থাইল্যান্ডের ক্লাব ব্যাঙ্কক এফসির হয়ে ভালোই আলো ছড়িয়েছেন। এই দলের হয়ে খেলার সময় ২০১২ সালে জিতেছেন গোল্ডেন বুটও।
তবে থাইল্যান্ড আর বাংলাদেশের আবহাওয়ার পার্থক্য কিছুটা ভাবাচ্ছে টাককে। বাংলাদেশের লিগ চলার সময় যদি তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে, তাহলে এ ধরণের পরিস্থিতিতে যে কারও পক্ষে খেলাই কঠিন; তার জন্যও কঠিন হবে।
গত বছর থাই লিগের দল নাখোন র্যাটচেসিমার হয়ে খেলা টাক বলেন, “১৫ গোল করেছি গত মৌসুমে। ছয় মৌসুম খেলেছি থাইল্যান্ডে। ১০০টার মতো গোল রয়েছে আমার।’
আবাহনীর সঙ্গে টাকের চুক্তিটা আপাতত এক মৌসুমের। সবে এ দেশের ঘরোয়া ফুটবলের সঙ্গে হাতে-কলমে পরিচিত হয়ে উঠছেন তিনি।
আবাহনীর হয়ে ব্যক্তিগত লক্ষ্যটা পরিষ্কার না জানালেও লিগ শুরুর আগে নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আরও জানালেন, ফরোয়ার্ড ছাড়াও প্লেমেকারের ভূমিকায় বা একজন মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারেন তিনি।
