রফিক আজাদের মরদেহ শহীদ মিনারে

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৬, ১০:২০
 
বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি ও মুক্তিযোদ্ধা রফিক আজাদের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়েছে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখারে রাখা হবে।
 
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রফিক আজাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার এক সময়ের কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে। শ্রদ্ধা জানানোর জন্য দুপুর ১২টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত সেখানে রাখা হবে। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
 
কবি রফিক আজাদ গত শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ইন্তেকাল করেন। তার মরদেহ বারডেমের হিমঘরে রাখা ছিল।
 
রফিক আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অসম্ভবের পায়ে’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। এরপর ১৯৭৪ সালে ‘সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে’ চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া ১৯৭৭। এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘প্রেমের কবিতা’, ‘সশস্ত্র সুন্দর’, ‘এক জীবনে’, ‘নির্বাচিত কবিতা’, ‘ভালোবাসার কবিতা’, ‘অঙ্গীকারের কবিতা’, ‘প্রিয় শাড়িগুলি’, ‘হাতুড়ির নিচে জীবন পরীকীর্ণ পানশালা আমার স্বদেশ’, ‘খুব বেশি দূরে নয়’, ‘গদ্যের গহন অরণ্যে হারিয়ে যাওয়া আমি এক দিগভ্রান্ত পথিক’, ‘অপর অরণ্যে’, ‘ক্ষমা করো বহমান হে উদার অমেয় বাতাস’, ‘করো অশ্রুপাত’, ‘পাগলাগারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি’, ‘কণ্ঠে তুলে আনতে চাই’, ‘স্বনির্বাচিত প্রেমের কবিতা’, ‘প্রেমের কবিতাসমগ্র’, ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ প্রভৃতি। এছাড়া সম্পাদনা করেছেন ‘দুই বাংলার কবিতায় মা’।
 
অসামান্য এই কবি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি রফিক আজাদ ২০১৩ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়াও রয়েছে হুমায়ুন কবির পুরস্কার, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা, কবি হাসান হাফিজুর রহমান পুরস্কার, কবি আহসান হাবীব পুরস্কার অন্যতম।