মাত্র কিছুদিন আগেই দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইন বিভাগ থেকে যখন মুরাদ পারভেজের গল্প চুরির কেলেংকারী নিয়ে কমেন্ট জানতে নির্মাতাকে না পেয়ে সোহানা সাবাকে ফোন করা হয়- তখন সাবা বললেন, ‘এ বিষয়ে আমাকে জড়াবেন না প্লিজ, আমার কমেন্টটাও যেন না আসে এ প্রসঙ্গে, আমি এর ভেতরে নেই।’
ঠিক তার ক’দিনের মাথায় এই খবর মিডিয়াকর্মীদের ভেতরে বিষ্ময়ের জন্ম দিল। মিডিয়ার সংসার ভাঙার তালিকায় আরো একটি নাম যোগ হলো। ঘর ভাঙার পথে এখন মুরাদ পারভেজ ও সোহানা সাবা। তাদের মাত্র ১৭ মাসের সন্তানের ব্যাপারে কিছু জানতে চাওয়া হলে বাবা মুরাদ পারভেজ বলেন, ‘ছেলের দেখভাল ঠিকঠাকই করবো আমরা। হয়তো এক ঘরে থাকা হবে না। কিন্তু ছেলে যাতে বাবা-মাকে মিস না করে সে ব্যবস্থায় করবো।’
এদিকে প্রায় সকল গণমাধ্যমে নিজের স্টেটমেন্ট স্বরুপ একটি মেসেজ পাঠান সোহানা সাবা।
তাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজ অল্প কথায় কিছু ব্যাপারে সবাইকে কিছু জানাতে চাই। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কি করছি,কি ভাবছি, কোথায় যাচ্ছি,পছন্দ-অপছন্দ এগুলো মানুষকে জানাতে পছন্দ করি না। তবুও বিকৃত হয়ে যাতে নোংরা কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ির সুযোগ বাইরের কেউ না পায় আমি নিজেই আজ কিছু কথা সবাইকে বলতে চাই।
IMG0
ভালবেসে মুরাদ পারভেজকে বিয়ে করি,অনেক অল্প বয়সে,বাবা-মার ইচ্ছের বিরদ্ধে,মাত্র ৩মাস প্রেম করে। মাত্র আমার সিনেমা ২টাতে অভিনয় করেছি তখন। মুরাদ দৌড় সিরিয়াল পরিচালক হিসেবে পরিচিত। খুব সুন্দর অনেকগুলো বছর মুরাদের সাথে কাটিয়েছি। আমাদের একমাত্র ছেলেকে নিয়ে স্বপ্নের মত কিছু বছর পার করেছি। কিন্তু গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আমরা আলাদাভাবে আছি,আমাদের নিজেদের মধ্যে কিছু মতের অমিল হওয়ায়। মুরাদ আমার সবচেয়ে পছন্দের ডিরেক্টর। ইনফ্যক্ট আমার সবচেয়ে বড় বন্ধু, প্রিয় বন্ধু। কিন্তু আমরা বোঝাপড়া করে ঠিক করেছি একসাথে আর নয়। আইনী পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা। যার শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি।’
এদিকে সন্তানের দেখভাল ও বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে সোহানা সাবা ইত্তেফাক অনলাইনকে বলেন, ‘মুরাদ আমার প্রিয় জীবনসঙ্গী না হলেও প্রিয় নির্মাতা এখনও। আর ছেলের বয়স তো খুব কম ওর ব্যাপারে এখনই কোনো কিছু সিদ্ধান্তের বিষয় আসছে না।’
