কোম্পানীগঞ্জে হামলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীসহ আহত ৩০

আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৬, ১৩:৪৩
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৪নং চরকাঁকড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজি সফি উল্যাহ ও তার নির্বাচনী কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ বহিষ্কৃত প্রার্থী ফকরুল ইসলামের (সবুজ) কর্মী সমর্থকরা। এতে আওয়মী লীগ প্রার্থী হাজি সফি উল্যাহসহ ৩০ জন আহত হয়েছেন।
 
সরজমিনে জানা গেছে, শনিবার রাত নয়টার দিকে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজার এলাকায় হাজি সফি উল্যাহ নির্বাচনী প্রচারণা সময় আওয়ামী লীগের  বহিষ্কৃত সবুজের লোকজন বাধা দেয়। এ সময় উভয়ের মধ্যে বাক্বিতণ্ডাহয়। একপর্যায়ে বিদ্রোহী প্রার্থী ফকরুল ইসলামসহ তার লোকজন লাঠিসোঁটা  নিয়ে হামলা চালায়। এতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাজি সফি উল্যাহসহ ৩০ জন গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ (৪০), ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  মাহাবুবুর রহমান আরিফ (৩৮), সাবেক সাধারণ সম্পাদক নরুল হুদা (৪১), যুবলীগ নেতা বাদল (২৬), মেম্বার প্রার্থী আলাউদ্দীন (৩৬) সহ ছয়জনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। বাকীদের উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। আশংকাজনক অবস্থায় আলাউদ্দিন ও বাদলকে নোয়াখালী জেলারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
 
অপরদিকে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত প্রার্থী ফকরুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে সরকারি দল আমার নেতা-কর্মীদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এতে আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছি। শনিবারের ঘটনায় নৌকার সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজন টেকের বাজার এলাকায় আমার প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়, আমার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের, আমার কর্মী কাজী ইকবালের দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এতে আমিসহ ১০ নেতা কর্মী জখম হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়।  এছাড়াও তারা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করলে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন বাধা দেয়। পুলিশ আমার অভিযোগ গ্রহণ করেনি উল্টো আমার রিরুদ্ধে মামলা করেছে।’
 
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজিদুর রহমান সাজিদ জানায়, ঘটনাস্থলে গিয়ে পারিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। হামলাকারীদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বর্তমানের মামলার প্রস্তুতি চলছে।