বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২২ রান করেছে শ্রীলঙ্কা।
স্যামুয়েল বদ্রি ও সুলিমান বেনের আটঁসাঁট স্পিনে লঙ্কানরা হাসফাঁস করল শুরু থেকেই। পেসাররাও সঙ্গ দিলেন ভালোই। আর ফিল্ডিংটা হলো দুর্দান্ত। ইনিংস জুড়ে ধুঁকতে থাকা শ্রীলঙ্কা এই রানটাও করতে পারল শেষ দিকে থিসারা পেরেরার কার্যকর এক ইনিংসে।
শুরুটা লঙ্কানদের জন্য ছিল আশা জাগানিয়া। ইনিংসের দ্বিতীয় আর নিজের প্রথম বলেই আন্দ্রে রাসেলকে ডিপ স্কয়ার লেগের ওপারে ফেললেন তিলকরত্নে দিলশান। পরের বলেই চার। কিন্তু দ্বিতীয় ওভার থেকেই আক্রমণে স্পিন এনে লঙ্কান ওপেনারদের বেধে ফেলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক।
প্রথম উইকেট যদিও নেন একজন পেসারই। কার্লোস ব্র্যাথওয়েটেরে বলে আম্পায়ারের বাজে এলবিডব্লিউ সিদ্ধান্তের শিকার হন দিলশান (১২)। বারবার বোলার বদলে লঙ্কান ব্যাটসমানদের থিতুই হতে দেননি স্যামি। উইকেটও ধরা দিয়েছে টপাটপ। দিলশান-চান্দিমালের পর টিকতে পারেনি অভিজ্ঞ চামারা কাপুগেদেরা ও লাহিরু থিরিমান্নে। এক ওভারে বদ্রি নেন ২ উইকেট।
৪৫ বলে ৪৪ রানের জুটি ভেঙেছে ম্যাথিউসের অদ্ভুত আউটে। ডোয়াইন ব্রাভো মন্থর এক ফুলটস উড়িয়ে মারতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় হবে দেখে শেষ মুহূর্তে থমকে যান লঙ্কান অধিনায়ক। বল ব্যাটে চুমু দিয়ে যায় কিপারের গ্লাভসে। বেশ কয়েকবার রিপ্লে দেখে আউট দেন টিভি আম্পায়ার (৩২ বলে ২০)।
বাকি সময়টা দলকে একটাই টেনেছেন পেরেরা। কুলাসেকেরা-হেরাথরা পারেননি তেমন কিছু করতে। ৪ ওভারে ১২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বদ্রি। উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়েছেন বেন। শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৪০ পেরেরা।
ফিল্ডিংয়ের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগায় মাঠ ছেড়েছিলেন ক্রিস গেইল। একদমই প্রয়োজন না হলে নামবেন না ব্যাটিংয়ে। তারপরও রান তাড়া কঠিন কোনো চ্যালেঞ্জ হওয়ার কথা নয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১২২/৯ (চান্দিমাল ১৬, দিলশান ১২, থিরিমান্নে ৫, কাপুগেদেরা ৬, ম্যাখিউম ২০, সিরিবর্ধনা ০, পেরেরা ৪০, কুলাসেকারা ৭, হেরাথ ৩, ভ্যান্ডারসে ০*, চামিরা ০*; বদ্রি ৩/১২, ব্রাভো ২/২০, রাসেল ১/৩৪, ব্র্যাথওয়েট ১/৩৬)।
