পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, যথাযথ পানি ব্যবস্থা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অবৈধ দখল হচ্ছে একটি বড় বাধা। তিনি বলেন, আমাদের জনসংখ্যা বিপুল এবং বাঁধ ও বন্যা প্রবণ এলাকায় অবৈধ দখল পানি ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, এলজিআরডি মন্ত্রণালয় বন্যা প্রবণ এলাকায় সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করছে যা অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বুয়েট) কাউন্সিল ভবনে বিশ্ব পানি দিবসের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। পানি সম্পর্কিত কার্যক্রম সমম্বয় ও অবহিত করণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিসি), ওয়াটার রিসোর্সেস প্লানিং এজেন্সি, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইসিআইডি (বিএএনসিআইডি), বাংলাদেশ ওয়াটার পার্টনারশিপ এবং বুয়েট যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করেছে। বিডব্লিউডিবি’র মহাপরিচালক এবং বিএনএসিআইডি’র চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এম মাসুদ আহমেদ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন।
পর্যাপ্ত পানি এবং মান সম্মত পানি কিভাবে শ্রমিকের জীবন ও জীবিকার পরিবর্তন এবং সমাজ ও অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে পারে সে বিষয় গুরুত্ব তুলে ধরতে পানি ও কর্মসংস্থান এই শ্লোগান নিয়ে বিশ্ব পানি দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
দেশের যথাযথ পানি ব্যবস্থাপনার জন্য দেশের আইনি কাঠামো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বে পানি সম্পর্কিত খাতগুলোতে ১.৫ বিলিয়ন লোক কাজ করছে এবং এদের সকলেই পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির ওপর নির্ভরশীল। আইলা ও সিডরের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ১৩৯টি প্রকল্প শুরু হয়েছে।বুয়েটের প্রফেসর ড. এম আবদুল মতিন ও বাংলাদেশ ওয়াটার পাটনারশিপ সভাপতি ড.খন্দকার আজহারুল হক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।মন্ত্রণায়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খান সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।
ফোকাস বাংলা।
