ব্যালট বাক্স ও পেপার ছিনতাই, গুলি, প্রকাশ্য ভোট দেয়া ও তিনটি কেন্দ্রের ভোট বাতিলের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার ৪৭টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ। তবে অধিকাংশ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাউখালীর সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সমর্থকরা হোগলা বেতকা হাইস্কুল কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপার ছিনতাই করে। এ সময় ছিনতাইকারীদের হামলায় এক সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আহত হন। আর ছবি তুললে গেলে আরটিভি ও বিজয় টিভি সাংবাদিক লাঞ্ছিত হন। একই ইউনিয়নের বেতকা প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র দখল নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় জাতীয় পার্টি জেপির কর্মীদের সংর্ঘষ হয়েছে । এ সময় ওই ওয়ার্ডে জাতীয় পার্টি জেপি সমর্থিত মহিলা মেম্বার প্রার্থী বেবি খানমের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে এই দুই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়া একই ইউনিয়নে পূর্ব বেতকা ও মেগপাল কেন্দ্রে সংঘর্ষ হলে কিছু সময় ভোট গ্রহণ বন্ধ থাকে।
এ দিকে দুপুর ২টার কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের তালুকদারহাট দক্ষিণ শিয়ালকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এক মেম্বার প্রার্থী ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৬ রাউন্ড গুলি চালায়।অন্যদিকে ওই কেন্দ্রের দুই মেম্বার প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ ঘটলে ওই কেন্দ্রের নির্বাচন বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ঘটনায় ২ জন আহত হন। এ ছাড়া ওই ইনিয়নের মোল্লা বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রবেশ করে সাইকেল প্রতীকে সিল মারা হয়। পরে ওই কেন্দ্রে ভোট বাতিল করা হয়েছে বলে রিটার্নিং অফিসার জুলহাস কবীর জানান।
অপরদিকে ১টার দিকে নৌকার সমর্থকরা বেকুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬টি ককটেল ফাটিয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে নিয়ে গেলে ওই কেন্দ্রে ভোট বাতিল করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট রিটানিং কর্মকর্তা। এ ছাড়া কাউখালী সদরে সিল দেয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রার্থীরা অভিযোগ করেছে। আমরাজুড়ি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হয়।
