চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা পদুয়া ইউনিয়নের চাপুরাল খাল ব্রিজটি গত প্রায় ১৬ বছর যাবৎ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে উক্ত এলাকার ১০ গ্রামের মানুষ যাতায়াতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়াও পদুয়ার সবজি গ্রাম হিসেবে খ্যাত জঙ্গল পদুয়ায় উৎপাদিত সবজি পরিবহনে চাষিরা প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। খাল পারাপারের স্থানটি বিচ্ছিন্ন থাকায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষীরা।
জানা যায়, এলজিইডি ১৯৯৯ সালে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়। ঠিকাদার উক্ত ব্রিজটির কাজের দায়িত্ব নেয়ার পর পিলার নির্মাণ করে অজ্ঞাত কারণে ব্রীজটি সমাপ্ত না করে চলে যান। ফলে গত ১৬ বছর যাবত পিলার নির্মাণের মাধ্যমে পরিত্যক্ত অবস্থা পড়ে আছে ব্রিজটি। জন গুরুত্বপূর্ণ এ ব্রীজটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় পদুয়া ইউনিয়নের অন্ধঘোনা, বড়ুয়ার পাড়া, আবুল হোসেন মৌলভী পাড়া, হোসেন সিকদার পাড়া, জঙ্গল পদুয়া, আশ্রায়ন প্রকল্প ও শাহের পাড়াসহ ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতি নিয়ত যাতায়াতের দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বর্তমাণে এলাকাবাসীরা পিলারে বাঁশ বেঁধে ঝুঁকি নিয়ে কোনমতে পারাপার হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ইউপি সদস্য আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, গত ১৬ বছর যাবত ব্রীজটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় ১০ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ যাতায়াতের অসুবিধাসহ এলাকার সবজি পরিবহনে মারাত্মক সমস্যাা হচ্ছে। বর্ষাকালে এলাকাবাসী উক্ত ব্রীজের কারণে আরো বেশী সমস্যার সম্মুখীন হয়। জরুরী ভিত্তিতে ব্রীজটি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান তিনি।
