বাংলাদেশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনু নামে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলে কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তার পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছে।
সোহাগী জাহান তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে বোর্ডে একজন বেসামরিক কর্মচারী। সেই সুবাদে সেনানিবাসে কোয়াটারে তাদের বসবাস । তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তাকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তার কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বুধবার কুমিল্লায় বিক্ষোভ করেছে। রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চ এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তনু লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
তনুর বড় ভাই নাজমুল হোসেন বলেছেন, গত রোববার মার্চ বিকেলে তার বোন টিউশনি করতে গিয়েছিল। কিন্তু রাত আটটাতেও না ফিরলে তার খুঁজতে রাস্তায় খুঁজতে যান। তার বোন যে বাসায় পড়াতে যেতেন, সেই বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যা সাতটাতেই তনু চলে গেছে। রাত ১০টার দিকে তাদের বাবা বাসায় ফিরলে তখন আবার তারা খুঁজতে বের হন। যে পথ দিয়ে টিউশনির বাসায় যেতেন, সেই পথেই একটি কালভার্টের নিচে মৃতদেহ পাওয়া যায়।
ঢাকায় বিক্ষোভে অংশ নেয়া কয়েকজন বলেন, ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না, সেজন্য তাদের সন্দেহ হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেন, ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হতে পারে, পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি নন।
