হোমনা উপজেলার বালুয়াকান্দি তিতাস নদীর ওপর ব্রিজ না হওয়ায় হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ২ লাখ মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম একটি বাঁশের সাঁকো। ওই স্থানে ব্রিজ নির্মাণ করা এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি হলেও তা হচ্ছে না। ফলে বাঁশের সাঁকোতে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে উপজেলার ২২ গ্রামের মানুষ। বালুয়াকান্দি গ্রামের মদন মিয়া জানান, নদী পারাপারের অন্য কোনো মাধ্যম না থাকায় খেয়া নৌকার ওপর নির্ভর করতে হতো গ্রামবাসীর। নদীতে সারা বছরই কচুরিপানা ভরা থাকে। যুগ যুগ ধরে বেশ কষ্ট করে দুটি উপজেলার ভুক্তভোগী মানুষ খেয়া নৌকা দিয়ে নদী পার হতো।
মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা বিবেচনা করে গত তিন বছর আগে বালুয়াকান্দি গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট আলহাজ হারুনুর রশিদ ও তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সভাপতি ব্যবসায়ী মো. জামিরুল ইসলামের আর্থিক সহযোগিতা এবং গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে তিতাস নদীতে সাকোটি নির্মিত হয়। এতে মানুষ উপকৃত হলেও প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। দীর্ঘ দুই বছরে বাঁশ পুরনো হওয়ার ফলে সাঁকোর কয়েক স্থানে ভেঙে যায়। সম্প্রতি পুনরায় ১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে বাঁশের সাঁকোটি। উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবদুছ সোবহান জানান, সাঁকোর স্থলে ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে।
