এশিয়ার দেশ ও মেগাসিটিগুলো ঘূর্ণিঝড় থেকে শুরু করে ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে। আর দক্ষিণ এশিয়ার ১৪০ কোটি মানুষ বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের হুমকিতে রয়েছে। বিশেষ করে বন্যা, মারাত্মক ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমিকম্প। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে শতভাগ মানুষই। আর ভারতের ৮২ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ মানুষ হুমকিতে রয়েছে। একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ভেরিস্ক ম্যাপলক্রফট প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুঁকি নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। ন্যাচারাল হ্যাজার্ডস ভালনেরাবিলিটি ইনডেস্ক’ শীর্ষক গবেষণায় বিভিন্ন মহাদেশ ও দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ শহরের তালিকায় পঞ্চম ঢাকা। তালিকার শীর্ষে আছে ফিলিপাইনের ম্যানিলা, দ্বিতীয় জাপানের টোকিও, তৃতীয় ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, চতুর্থ দক্ষিণ চীনের ডংগুয়ান। গবেষণার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যম ডেকান ক্রনিকল জানিয়েছে, চীন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান ও ফিলিপাইনেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বেশি। প্রাকৃতিক দুর্যোগে এসব দেশের মানুষই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা এশিয়ার বাইরের দেশগুলো হলো, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ব্রাজিল।
গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে সাব সাহারান আফ্রিকার মানুষরা। ঝুঁকির তালিকার ১০টি দেশের মধ্যে নয়টিই এই মহাদেশের। আর তালিকার ২৩ থেকে ২৫টি দেশই আফ্রিকার। রোগাক্রান্ত বা সংক্রমণে সর্বাধিক মানুষের মৃত্যু ঘটবে এই মহাদেশে।
গবেষণায় জানানো হয়, প্রাকৃতি দুর্যোগের স্থান ও সময় কোনোভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না। তবে যথাযথ পদক্ষেপ নিলে মৃত্যুর হার ও ক্ষয়-ক্ষতি অনেকাংশেই কমানো সম্ভব। ফোকাস বাংলা।
