‘বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে যোগাযোগ বৃদ্ধি প্রয়োজন’

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০১৬, ২২:১৭
এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, পরিবহন, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কসহ বিভিন্ন খাতে যোগাযোগ আরো বৃদ্ধি করা দুই প্রতিবেশী দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার মূল চাবি-কাঠি।
 
রবিবার রাজধানীর বাংলা একাডেমী মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী ও কলকাতাভিত্তিক সেন্টার ফর ইস্ট অ্যান্ড নর্থ রিজিয়ন স্টাডিজ যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। 
 
প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক এমএম আকাশ, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান, ভারতের সাবেক হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী। তোফায়েল আহমেদ দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ছোট প্রতিবেশী দেশগুলোকে উদার মনোভাব দেখানোর জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।
 
তিনি বলেন, বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যোগাযোগের উপরই নির্ভর শীল।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বিসিআইএন (বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও নেপাল) আঞ্চলিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
 
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের সহায়তার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভারত মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে সমর্থন করা সহ সব ধরণের সহায়তা প্রদান করেছিল এবং নয় মাসের জন্য প্রায় এক কোটি (১০ মিলিয়ন) বাংলাদেশীকে আশ্রয় দিয়েছিল।তিনি বলেন, ভারত ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু এবং এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দিন দিন জোরদার হচ্ছে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ভারত ও পাকিস্তান সহ প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দারিদ্র্য বিমোচন, আয়ু বৃদ্ধি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য সহ অনেক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ফোকাস বাংলা।