সবাইকে অচেতন মালামাল লুটে নিল নারী ভাড়াটিয়া

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৬, ১৮:৩৫
বগুড়ার শেরপুরে খাবারের সঙ্গে অচেতন করার ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে অচেতন করে সর্বস্ব লুটে নিয়েছে বাড়ির ভাড়াটিয়া।
 
সোমবার সকাল ৯টার দিকে অচেতন অবস্থায় ৭ জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া বটতলার বাজার সংলগ্ন নওদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ।
 
স্থানীয়রা জানান, সপ্তাহখানেক আগে রোজিনা বেগম নামে এক নারী তার স্বামীকে ব্যাংকার পরিচয় দিয়ে নওদাপাড়া এলাকাস্থ মাহবুবুর রহমানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে বাড়ির প্রত্যেকের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত রবিবার দিনগত রাতে রোজিনা বেগম বাড়ির মালিক মাহবুবুর রহমানসহ সবাইকে রাতের খাবার খাওয়ান। আর সেই খাবার খেয়ে মাহবুবুর রহমান (৫০), তার বাবা নূর উদ্দিন (৮০), স্ত্রী ঝর্ণা  বেগম (৪২), মেয়ে লিমা (১৭), কাজের মেয়ে নুরুন্নাহার (৩৪), ভায়রার স্ত্রী ছানোয়ারা বেগম (৪০) ও  সোবহানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৫) অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন সকালে চট্টগ্রামে চাকরিরত ছানোয়ারা বেগমের স্বামী কামরুল ইসলাম বাড়িতে এসে দেখেন দরজা-জানালা বন্ধ। তিনি সবাইকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ভেতর থেকে সাড়া শব্দ না পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।
 
শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মজিদ জানান, ভাড়াটিয়া ওই নারী সবাইকে অচেতন করে মালামাল নিয়ে পালিয়ে গেছে। তবে বাড়ির সবাই অচেতন থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তাদের জ্ঞান ফিরলেই কেবল ঘটনাটি সর্ম্পকে সব কিছু জানা সম্ভব হবে।