২০২১ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আইসিটি খাতের অবদান অন্তত ৫ শতাংশ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রতিমন্ত্রী আজ আগারগাঁও বিসিসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ হাইটেক কর্তৃপক্ষ ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'কর্মসংস্থানের জন্য আইটি পার্কের উন্নয়ন' শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
এ জন্য আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি দক্ষ মানব সম্পদের উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনীর উপর সরকার সর্বোাচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে বলে জানান তিনি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় এডিবি'র দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মানব ও সামাজিক উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক সাংসুপ রা, বাংলাদেশ হাইটেক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বেসিস এর সভাপতি শামীম আহসান বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের সার্বিক অবস্থার উপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টীম লিডার সামি আহমেদ। এ ছাড়াও বেসিসের সহ সভাপতি রাসল টি আহমেদ ও এডিবির ইন্টারন্যাশনাল স্টাফ কনসালট্যান্ট ড. মহিউদ্দিন আলমগীর আলাদা নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।
পলক বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য আইসিটি অবকাঠামো, দক্ষ মানব সম্পদের উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী তিনটি-ই অপরিহার্য। দেশে ১২টি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। যশোর সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণ সমাপ্তির পথে, কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কেও নির্মাণ কাজ জোরেশোরে শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে আইসিটি রপ্তানী এক বিলিয়ন এবং ২০২১ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এ সময়ে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
পলক বলেন , 'বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে দ্রুত বিকশিত কারা জন্য আমরা ১০০০ উদ্ভাবনীতে সহায়তাদানের জন্য কানেক্টিং স্টার্ট আপ নামক প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। এতে প্রচুর সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।'
তিনি বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এডিবিকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার মনে করে। তিনি আগামীতে দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী প্রকল্পে এডিবি'র সহয়োগিতা কামনা করেন এবং একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য গুণগত মানসম্পন্ন দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার উপর জোর দেন, যাতে তাঁরা হাইটেক পার্কে কাজ করার সুযোগ পায়। বাসস।
