আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, পরিবেশ আদালত আইনটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করা হবে। খুব শিগগিরই আইনের জটিলতা দূর করে সংশোধন অথবা নতুন করে আরেকটি আইন করা হবে। এক্ষেত্রে সরকারের সদ্বিচ্ছা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বেলা’র প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত ‘পরিবেশ আদালতের কার্যক্রম: আঞ্চলিক অভিজ্ঞা’ শীর্ষক কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান আ ন ম ওয়াহিদ, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের পরিবেশ বিষয়ক আইনজীবী ঋত্বিক দত্ত, ফিলিপাইনসের আইনজীবী রোজ-লিজা ইসমা ওসোরিও, ঢাকার পরিবেশ আদালতের যুগ্ম জেলা জজ আশিকুল কবীর, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচারক জাফর সিদ্দিক প্রমুখ।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০০০ সালে পরিবেশ আদালত আইনটি পাশ হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে এই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই আইনটিতে সংশোধনী আনা হয়। এখানে রাজনৈতিক সদ্বিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা ও অবদান সারা বিশ্বে স্বীকৃত। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা ও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিনি গেল বছর জাতিসংঘের চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে। পরিবেশ আদালত আইনটি বাস্তবসম্মত করতে শিগগিরই আমি পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবো। তাঁর সঙ্গে আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইনটির বর্তমান অবস্থা ও জটিলতা নিয়ে কথা বলা হবে। সেখানেই শেষ নয় আইনটি পরিবর্তনের জন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও আলাপ করা হবে। প্রয়োজনে নতুন করে আইন করা হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমাদের লক্ষ্য অর্জিত হবে। পরিবেশ আদালত আইনের বাস্তবসম্মত প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সব কিছু করা হবে।
